সাংবাদিক লেখক ঐক্য এবং দা'বি নিয়ে আ'লো'ড়'ন সৃ'স্টি হচ্ছে সারা দেশ জুড়েই-
নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশিত : ০৬ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সাংবাদিক লেখক ঐক্য এবং দাবি নিয়ে আলোড়ন সৃস্টি হচ্ছে সারা দেশ জুড়েই-
মোঃ কুতুব উদ্দিন, ঢাকা
"সাংবাদিক" বেশ সুন্দর শব্দ অতি চমৎকার বিষয়াদি লুঁকিয়ে আছে ঠিক চন্দ্রবিন্দু'র মতই। এই পদ পদবি তে এতটাই জটিলতা কুটিলতা শাত শতেরো প্যাঁচ যা গোছালো কে অগোছালো করে দেয় আবার ঠিক অগোছালো সকল কিছুই গুছিঁয়ে দিতে জানে এই সাংবাদিক।
আমাদের দেশে বৈধ অবৈধ জাতীয়, প্রাইভেট, লিমিটেড অনলাইন অফলাইন প্রিন্ট মাল্টিমিডিয়া বিভিন্ন গণ মাধ্যম ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে সাংবাদিকতার অবস্থান। বর্তমান সমাজে অনলাইন যুগ নানা ভাবে ফেইসবুক, ইউটিউব প্যাজ, টিকটিক, টুইটার আরও অন্যান্য অনলাইন মাধ্যম রয়েছে সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন পরিস্থিতি ভিডিও চিত্র ধারণ করেও তা সাধারণ জনগণের বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলিতে আপলোড দিয়ে থাকেন।
দেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে যেকোনো খবরাখবর ভাইরাল হয়ে যায় মুহূর্তেই,সাংবাদিক দের বিভিন্ন ভাবেই কদর কমেছে কিছুই,অথচ সাংবাদিক বেড়েছে বেশ জোড়ালো ভাবেই।ক্যামেরা মোবাইল বডি ক্যামেরা ড্রোন ক্যামেরা আর বিভিন্ন যন্ত্র দিয়েই চিত্র ধারণ করে থাকে সাংবাদিক লেখক বন্ধু বর কলিক সিনিয়র জুনিয়র নানান ভাবেই পাব্লিষ্ট হচ্ছে খবরাখবর। সাংবাদিক নির্যাতন হেনস্থা অপদস্ত অহরহ হচ্ছে নানা ভাবেই।
সারাবিশ্বে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সপ্তাহ চলছে বিভিন্ন ভাবে সমাবেশ,মানববন্ধন র্যালী এবং ১৪ দফা দাবি নিয়েই চলছে নানা আয়োজন এবং ঢাকা জাতীয় প্রেসক্লাব জুড়ে প্রতিদিন ই কিছু না কিছু আয়োজন তো থাকছেই।
সাংবাদিক নির্যাতন এর বিরুদ্ধে নানান সাংবাদিক বান্ধব সংগঠন রয়েছে দেশে,টিভি চ্যানেল পত্রিকা সংগঠন কোন কিছুরই অভাব নেই নিবন্ধন করা অনিবন্ধিত অনলাইন পোর্টাল আইপি টিভি তবুও যেনো ভালো মন্দ সব মিলিয়েই দেশে সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধের গন্ধ নেই মাত্র।প্রতিনিয়ত সাংসদ খুন হচ্ছে একজন সাংবাদিক অর্থের লোভে আরেকজন সাংবাদিক ভাইয়ের শত্র হচ্ছেন এসব থেকে শতভাগ বিরত থাকতে হবে। আজ তুমি কাল আমি নিয়তি সেটাই প্রমাণ করে এসেছে এসব মানতে হবে আমাদের।
এতো আয়োজন এত প্রিয়জন তবু সাংবাদিক নির্যাতন হচ্ছে হেনস্থা অপদস্ত হচ্ছেই অহরহ, মানবাধিকার সংগঠন,আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা, সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ মূলক কমিটি বাংলাদেশ সাংবাদিক লেখক ঐক্য ফোরাম,তৃনমূল সাংবাদিক ফোরাম,বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম,সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ সোসাইটি আর লক্ষ লক্ষ্য সংগঠন রয়েছে তবুও সাংবাদিক মার খাচ্ছে প্রতিদিন ই কোথাও না কোথাও। সঠিক বিষয় এ তদন্ত করে আইনের সহযোগিতা নিয়ে কাজ কর্ম করতে হবে। জেনে বুঝে সাংবাদিকতা করতে হবে। সাংবাদিক পরিচয় কে যথায় তথায় অপব্যবহার করা যাবেনা,একজোট হয়ে কাজ করতে হবে।অন্যায় বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে,মানুষের কল্যাণে কাজ করতে হবে।
যথেষ্ট কারণ অবশ্যই আছে- সাংবাদিক ট্রেনিং না নিয়ে সঠিক সাংবাদিককতা এবং সূত্র না জেনে না বুঝে না শিখে বিপদ ডেকে আনছেন নিজের জীবন বিপর্যয়ের পথে রেখেও একশ্রেণীর অপ-সাংবাদিকতা করে মৃত্যুর দিকে নিয়ে যাচ্ছেন নিজের জীবন। সংসার স্ত্রী বাচ্চা মা বাবা সন্তান সারাজীবন কান্না নিয়ে অবশিষ্ট চোখের লোনাজল পূজিঁ করে বেঁচে আছেন অনেক বৃদ্ধ মা বাবা সন্তান স্ত্রী। সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেছেন সাংবাদিক পরিচয় যেনো অপব্যবহার না হয় হলুদ বা ভুয়া সাংবাদিকতা না হয়।
সেটা মাথায় রেখেই কাজ করতে হবে।যারা সাংবাদিকতা ভালবাসেন করতে ইচ্ছুক অবশ্যই একটা নিবন্ধনকৃত প্রতিষ্ঠান এ করবেন এবং শিখে জেনে বুঝে পর্যাপ্ত টেনিং নিয়েই সাংবাদিক করুন অন্যথায় বিপদে পরে যাবেন সাবধান করে দিচ্ছি, আপনি কাউকে ঠকাচ্ছেন ক্ষতি অন্যায় জুলুম করছেন আপনিও সে সব বিষয় এ মরে যাবেন খুব দ্রুত ই।
সঠিক সাংবাদিকতা করার মূল্য রয়েছে শান্তি কল্যান এবং প্রতিষ্ঠান এর সম্মান সম্পাদক প্রকাশক এর সম্মান, অপ-সাংবাদিকতা করা অর্থের লোভে নিজেকে ধংস করে প্রতিষ্ঠান এর নাম ভাংগিয়ে এবং বিভিন্ন ভাবে কার্ড বানিজ্য করে চালিয়ে যাচ্ছেন অনেক সাংবাদিক সম্পাদক প্রকাশক এবং চ্যানেল মালিক ও রয়েছেন এই অপ-সাংবাদিকতা করার মধ্যে। সম্পাদক প্রকাশক চ্যানেল মালিক অর্থের লোভে যাকে তাকে পরিচয় দিচ্ছেন ফলে তারা সেই সাংবাদিক কার্ড বা পরিচয় পত্র গকায় ঝুলিয়ে বিভিন্নভাবে অর্থের লোভে প্রতারণা চাঁদাবাজি নানান কারসাজি করে বেড়াচ্ছেন।
সংগঠন এর জন্যে নিবন্ধন পত্র পত্রিকা অনলাইন অফলাইন নিবন্ধন এর আওতাধীন হলে যাচাই-বাছাই এর মাধ্যমে অনেকটা শালীনতা বজায় থাকবে,এবং সাংবাদিক দের বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা দাবি গুলি মেনে নিয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী সরকার এর সুনজরে থাকলে এবং সহযোগিতা হলেই সকল কিছুই সমাধান এ চলে আসবে বলে মনে করি।১০ম আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সপ্তাহ পালন কালে ১৪ দফা দাবির মধ্য সাংবাদিক দের বাংলাদেশ সরকার এর প্রতি আহবান এবং দাবি নিয়ে জাতীয় প্রেসক্লাব এর সামনে সমাবেশ র্যালী মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হচ্ছে ১-৭ মে ২০২৬ এবং দাবিগুলো নিম্নরুপ -
১/সরকার কর্তৃক সারাদেশে পেশাদার সাংবাদিকদের তালিকা দ্রুত প্রণয়ন করে করে আইডি নাম্বার প্রদান করতে হবে।।
২/ সরকার ও গণমাধ্যম কর্তৃক দ্রুত সাংবাদিক নিয়োগ নীতি প্রনয়ণ করতে হবে।
৩/সাংবাদিক নির্যাতন বন্ধে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রনয়ণ করতে হবে।
৪/ ৬ষ্ঠ থেকে উচ্চতর ক্লাস সমূহের পাঠ্য বইয়ে গণমাধ্যম বিষয়ক একটি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
৫/ সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহের পিআরও পদে পেশাদার সাংবাদিক দের নিয়োগ করতে হবে।
৬/ পেশাগত কাজে সাংবাদিক নির্যাতন এর শিকার হামলা মামলা ব্যায়ভার সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যম কে বহন করতে হবে।
৭/ তালিকাভূক্ত সাংবাদিককে সরকার কর্তৃক মাসিক ভাতা প্রদান করতে হবে।
৮/ হরতাল অবরোধ চলাকালে সাংবাদিক সংবাদ পত্র বহনকারী যানবাহন আওতামুক্ত রাখতে হবে।
৯/ প্রতিটি গণমাধ্যমে সাংবাদিক দের অনূকূলে কল্যাণ ফান্ড গঠন করতে হবে।
১০/ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধন ও তদন্তে দোষী প্রমাণিত হওয়ার আগে কোন সাংবাদিককে পুলিশ গ্রেফতার করতে পারবেনা।
১১/ সাংবাদিক দের বিরুদ্ধে অভিযোগ / মামলা করলে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলে দায়ের করতে হবে।
১২/ বিটিভি,বাসস ও বাংলাদেশ বেতারে উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি নিয়োগ করতে হবে।
১৩/ জাতীয় ও স্থানীয় পত্রিকাগুলো কে সরকার কর্তৃক পূর্বের ন্যায় প্রয়োজনীয় কাগজ ও বিজ্ঞাপন বরাদ্ধ দিতে হবে।
১৪ জেলা উপজেলা প্রতিনিধিদের সরকার ঘোষিত ওয়েজ বোর্ড অনুযায়ী বেতন- ভাতা প্রদান করতে হবে।
১৪ দফা দাবি নিয়ে এবারের ১০-ম গণমাধ্যম সপ্তাহ পালন করা হচ্ছে বিভিন্ন সংগঠন এর পক্ষে সংগঠন সদস্য ও সাংবাদিক দের আয়োজনে যা আগামী ৭ মে সমাপ্তি কিরবেন সকল সাংবাদিক আনুষ্ঠানিকতা মধ্য দিয়ে।
আপনার মতামত লিখুন :