ছাত্রদল নেতা সোহাগ হ'ত্যা'র এক মাস, ধ'রা'ছোঁ'য়া'র বাইরে আ'সা'মি'রা!
নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশিত : ০৫ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
ছাত্রদল নেতা সোহাগ হত্যার এক মাস, ধরাছোঁয়ার বাইরে আসামিরা!
মোঃ ওমরফারুক(সান) স্টাফ রিপোর্টার
পাবনার ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ইমরান হোসেন সোহাগ (২৯) হত্যার এক মাস পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গত ২ এপ্রিল রাতে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও দৃশ্যমান অগ্রগতি না থাকায় নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে বাড়ছে ক্ষোভ।
নিহত সোহাগ ঈশ্বরদী শহরের সাঁড়া গোপালপুর গ্রামের মন্নবীপাড়া এলাকার বাসিন্দা ইমানুল প্রামাণিকের ছেলে। তিনি উপজেলা ছাত্রদলের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব এবং জিয়া সাইবার ফোর্সের উপজেলা শাখার সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
হত্যাকাণ্ডের চার দিন পর নিহতের বাবা বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাতজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ জনকে আসামি করা হয়। বর্তমানে মামলাটির তদন্ত করছে জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে গত ২ এপ্রিল রাত পৌনে ১০টার দিকে সাঁড়া গোপালপুর স্কুল মাঠের পেছনে রেললাইনের পাশে সোহাগকে লক্ষ্য করে হেলমেট পরিহিত একদল সশস্ত্র দুর্বৃত্ত এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। প্রাণ বাঁচাতে দৌড় দিলে কাছের একটি চায়ের দোকানের গলিতে তাকে ধরে ফেলে হামলাকারীরা। সেখানে তার মাথা, কপাল, বুকে ও গলায় একাধিক গুলি করে নিশ্চিত মৃত্যু ঘটিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায় তারা।
নিহতের বাবা ইমানুল প্রামাণিক বলেন, আমার ছেলেকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এক মাস পার হয়ে গেল, এখনো কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। এটা খুবই হতাশাজনক। আমি দ্রুত খুনিদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এ বিষয়ে ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. আশাদুর রহমান জানান, মামলাটির তদন্তভার ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
পাবনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, তদন্তভার পাওয়ার পর থেকেই গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে। আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভিযান চলছে। আশা করছি দ্রুতই অগ্রগতি জানাতে পারব।
আপনার মতামত লিখুন :