ad728

বিচ্ছেদের পরও স্ত্রী স্বামীর নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ২৭ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন: ad728

বিচ্ছেদের পরও স্ত্রী স্বামীর নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ
পাবনা প্রতিনিধি:

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয়,তারপর বিয়ে। ১০ বছর সংসার করার পর হয়েছে বিচ্ছেদ। তবে বিচ্ছেদের পরও স্ত্রী স্বামীর নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি অভিযোগ উঠেছে। পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের আদাবাড়িয়া গ্রামে এমন ঘটনা ঘটেছে। গত ৭ জুলাই ২০২৫ইং সালে রাবেয়া সুলতানার স্বামী আব্দুস সালামের বিরুদ্ধে পাবনা বিজ্ঞ আমলী ৪ নং আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনের ৩ ধারায় মামলাটি করেন,মামলা চলমান।

রাবেয়ার স্বামী আব্দুস সালাম বলেন,সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমাদের পরিচয় হয়,তারপর ঘটা করে বিয়ে। আমাদের ১০ বছরের সংসারে ১টি কন্যা সন্তান ও ২ পূত্র সন্তান রয়েছে।১০ বছর দাম্পত্য সম্পর্ক ঠিক থাকলেও গত দুই বছর আগ থেকে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে ভিডিও কলের মাধ্যমে কথা বলে সম্পর্ক জড়ান স্ত্রী রাবেয়া সুলতানা,এবিষয়ে রাবেয়া সুলতানার শাশুড়ীর কাছে একাধিক বার ধরা খেলেও তা কর্নপাত না করে রাবেয়া নিয়মিত কথা বলতেন, এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আমার স্ত্রীর পাশের গ্রামের পশু চিকিৎসক সেলিম প্রামানিক। আমার পরিবারের লোকজন এসবের প্রতিবাদ করায়,আমি প্রবাসে থাকা অবস্থায় বাপের বাড়ি চলে আসেন এবং পরবর্তীতে রাবেয়া সুলতানার পিতা ও মাতা আমার শশুর শাশুড়ী বলেন, আমার মেয়ে ভুল করেছে এবং আমার স্ত্রী রাবেয়া সুলতানা নিজেও বলেন, আমি ভুল করেছি,এমন ভুল আর করবো না মর্মে আমার পরিবারের লোকজন এবং আমার এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সামনে গত ১৯/০৮/২০২৩ সালে স্ট্যাম্পে লিখিত দেন,স্ট্যাম্পের সিরিয়াল নং ৬২১৪,লিখিত স্ট্যাম্প দেওয়ার পরও সেলিম প্রামানিকের সাথে পরকীয়া সম্পর্ক চালিয়ে যান,এবং মাস তিনেক পরে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে আমাকে জানায় আমি বাপের বাড়িতে যাব,তখন আমি তাদের বাড়িতে যাওয়ার কথা বললে, তার ভাইকে ডেকে আনে এবং আমার বাড়ি থেকে ২ লক্ষ ৭০ হাজার নগদ টাকা,আড়াই ভরি সোনা ও আমার ব্যবহৃিত কিছু জিনিস পত্রসহ নিয়ে বাপের বাড়িতে চলে যান।রাবেয়া বাপের বাড়িতে যাওয়ার পর সেলিম প্রামানিক সাথে আরো মধুর সম্পর্ক গড়ে উঠে এবং সেলিম নিয়মিত যাতায়াত করা শুরু করেন ও বিভিন্ন জায়গায় তাদের দুইজনকে তাদের এলাকার মানুষ দেখতে পান,এই ঘটনা গ্রামবাসির নজরে আসলে একদিন গ্রামবাসি তাদের দুইজনকে সুযোগ বুঝে রাবেয়া সুলতানা বাপের বাড়ির একটি ঘরের মধ্যে হাতেনাতে আটক করেন। ঔদিন আমাকে ডিভোর্স দিয়ে ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের আগবহর গ্রামের মোঃ আব্দুর রশিদের ছেলে পশু চিকিৎসক মোঃ সেলিম প্রামানিকের সাথে বিয়ে দেন গ্রামবাসী। এই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় নিউজও প্রকাশিত হয়েছে।নিউজের হেডলাইন ছিল,ভাঙ্গুড়ায় পল্লী পশু চিকিৎসক ও প্রবাসীর স্ত্রী পরকিয়ায় ধরা।
আব্দুস সালাম আরো জানায়,আমি ঔ এলাকা লোকজনের মধ্যমে জানতে পারলাম সেলিম প্রামানিককে নাকি তালাক দিয়েছেন এবং পাবনার বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইবুনালে ২০১২ সালের পর্নোগ্রাফি আইনের ৮(২)৮(৩) ধারায়  মামলাও দিয়েছেন,আর এক লক্ষ টাকার কাবিনকে ৭ লক্ষ টাকার কাবিন তৈরী করে মামলা করেছেন। এসব কথা জানতে পেরে ১টি কন্যা সন্তান ও ২ টি পূত্র সন্তান তাদের ৩ জনের টানে আমি গত (১৮ জুলাই ২০২৬ইং) রাবেয়া সুলতানার বাপের বাড়ি গেলে আমাকে অপমান অপদস্ত করে তাড়িয়ে দেন।
মোঃ আব্দুল সালাম কক্সবাজার রামুর থানার এলাকার পূর্ব মেরং লোয়া,ফতেখারকুল গ্রামের নুর কাদেরের ছেলে। তিনি পেশায় একজন প্রবাসী। তিনি বলেন,আমি ৩ সন্তান,স্ত্রী এবং টাকা হারিয়ে প্রায় পাগল।আমি বর্তমানে বাংলাদেশে আমার নিজ বাড়িতে অবস্থান করছি।

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ