কুড়িগ্রামে ভাই বলায় ক্ষিপ্ত হলেন সদরের সহকারি কমিশনার
নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশিত : ০৬ এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
কুড়িগ্রামে ভাই বলায় ক্ষিপ্ত হলেন সদরের সহকারি কমিশনার
খাজা ময়েনউদ্দিন চিশতি কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
সাংবাদিক পরিচয়ে ভাই বলায় চটে গেলেন, কুড়িগ্রাম সদরের সহকারি কমিশনার (এসিল্যান্ড) আরিফুল ইসলাম।
এসময় তিনি জনসাধারণের সামনে ভাই সম্বোধন করায়, তিনি সাধারণ কোন মানুষ নন বলে দাবি করেন। বলেন, ভাই কেন বললেন, সাধারণ মানুষ ভাববে আপনার সাথে আমার স্বজনপ্রীতি রয়েছে। সবাই আমাকেও সাধারণ মানুষ ভাববে।
রোববার (৫ এপ্রিল) দুপুরে কুড়িগ্রাম পৌর শহরের সাহা ফিলিং স্টেশনে ওই সাংবাদিকের সাথে এমন অপমানকর ব্যবহার করেন তিনি।
জানা গেছে, রোববার সকাল থেকে ফিলিং স্টেশনটিতে প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে তেল সরবরাহ করছিলো কতৃপক্ষ। দুপুরের দিকে ফিলিং স্টেশনটি পরিদর্শন আসেন ওই ভুমি কর্মকর্তা। এসময় দেশ টিভির কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জুয়েল রানা, ফিলিং স্টেশনে, কি পরিমাণ তেল গ্রাহকদের দেয়া হচ্ছে জানার জন্য ভাই সম্বোধন করে কথা বলা শুরুর মুহূর্তেই, তিনি এ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।
এ বিষয়ে দেশ টিভির কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি জুয়েল রানা বলেন, আমি দুপুরের দিকে সাহা ফিলিং স্টেশনে তথ্য নিতে যাই। এবং এসিল্যান্ডকে ভাই বলামাত্র আমাকে বলে, কেন আমাকে ভাই বললেন, সাধারণ মানুষ কি মনে করবে, ভাববে আপনার সাথে আমার স্বজনপ্রীতি রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, তাকে স্যার না বলার কারণেই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন, এবং জনগণের সামনে আমাকে এসব কথা বলে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেন। এসিল্যান্ডকে স্যার বলতে হবে এমন নিয়ম আমার জানা নেই।
এ বিষয়ে জানতে কুড়িগ্রাম সদরের সহকারি কমিশনার (এসিল্যান্ড) আরিফুল ইসলামের মুঠোফোনে কয়েকবার কল করার পর, তিনি রিসিভ করে আবারও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন। এবং বলেন, বার বার কল করার কারণ জানতে চান। পরে তার কাছে সরকারি কর্মকর্তাদের স্যার বলতে সাধারণ মানুষ বাধ্য কি না, জানতে চাইলে তিনি ফোন কেটে দেন।
এ বিষয়ে জানতে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ ইসমাইল হোসেন ও জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ এর মুঠোফোন কল করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।
উলেখ্য কয়েকদিন আগে, তার বিরুদ্ধে, "প্রকাশ্য নিলাম গোপনে বেনামে সারলেন এসিল্যান্ড" এই শিরোনামে বিভিন্ন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়।
আপনার মতামত লিখুন :