উপদেষ্টা সুপ্রদীপের সঙ্গে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্রদূতদের সাক্ষাৎ
নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশিত : ০৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
উপদেষ্টা সুপ্রদীপের সঙ্গে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্রদূতদের সাক্ষাৎ
নিজস্ব প্রতিবেদক
০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫,
উপদেষ্টা সুপ্রদীপের সঙ্গে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্রদূতদের সৌজন্য সাক্ষ
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূত (অব.) সুপ্রদীপ চাকমার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নরওয়ে ও ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূতরা।
রোববার (৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন, রয়েল ডেনিশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টিয়ান ব্রিক্স মোলার (ক্রিস) এবং ডেনমার্ক দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি ও হেড অব পলিটিক্স ওল্লে লানডিন।
বৈঠকে পার্বত্য অঞ্চলের টেকসই উন্নয়ন, শিক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, কৃষি আধুনিকায়ন, স্থানীয় জনগণের জীবনমান উন্নয়ন ও বহুমুখী সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের টেকসই উন্নয়নের জন্য মানসম্মত শিক্ষা, কৃষি খাতের আধুনিকায়ন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা অপরিহার্য। এতে স্থানীয় অর্থনীতি সচল হবে, কর্মসংস্থান বাড়বে।”
তিনি জানান, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ঘোষিত পরিকল্পনা অনুযায়ী স্টারলিংক ব্যবহারের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের ১০০টি স্কুলে ডিজিটাল কার্যক্রম চালু করা হচ্ছে। আগামী ৯০ দিনের মধ্যে এসব স্কুলে অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় ভাষা সংরক্ষণে প্রাথমিক স্তরে ভাষাভিত্তিক বই প্রকাশ ও শিক্ষক প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
কাপ্তাই লেকের যথাযথ ব্যবহার, পানি সংকট নিরসন ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়ন পরিকল্পনার বিষয়েও মত দেন তিনি। পাশাপাশি প্রযুক্তিভিত্তিক কৃষি, পরিবেশসম্মত পর্যটন, কফি ও কাজুবাদাম চাষ এবং নার্সিং খাত পার্বত্য অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে বলে উল্লেখ করেন উপদেষ্টা।
বৈঠকে তিন দেশের প্রতিনিধিরা চার্টার অব এনসিপি, পিআর এবং বাংলাদেশের নির্বাচন প্রসঙ্গেও আলোচনা করেন। তারা গণতান্ত্রিক উত্তরণে বাংলাদেশ সরকারকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
নরওয়ের রাষ্ট্রদূত হাকন আরাল্ড গুলব্রান্ডসেন বলেন, “পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের আন্তরিকতা প্রশংসনীয়। অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে এ অঞ্চলের মানুষের জীবনমান আরও উন্নত হবে।”
রয়েল ডেনিশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টিয়ান ব্রিক্স মোলার এবং ডেনমার্ক দূতাবাসের সেকেন্ড সেক্রেটারি ওল্লে লানডিনও একই অভিমত ব্যক্ত করেন।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব অতুল সরকার, উপদেষ্টার একান্ত সচিব খন্দকার মুশফিকুর রহমান ও সিনিয়র সহকারী সচিব শুভাশীষ চাকমা।
আপনার মতামত লিখুন :