ad728

জিয়া পরিবার নিশ্চিহ্নের নেপথ্য কারিগর: মাসুদের বিতর্কিত ভূমিকা ও নতুন প্রশ্ন


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ১৯ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন: ad728

 জিয়া পরিবার নিশ্চিহ্নের নেপথ্য কারিগর: মাসুদের বিতর্কিত ভূমিকা ও নতুন প্রশ্ন
​নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা

​বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ১/১১-এর সময়কাল এবং পরবর্তীতে জিয়া পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে যে প্রশ্নগুলো বারবার উঠেছে, তা এখন নতুন করে জাতীয় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে সাধারণ মানুষ এবং বিশ্লেষকরা ১/১১-এর অন্যতম কুশীলব হিসেবে পরিচিত জেনারেল মাসুদের কর্মকাণ্ড নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। জিয়া পরিবারকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করার যে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ দীর্ঘকাল ধরে শোনা যাচ্ছে, তার পেছনে মাসুদের সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি এখন জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে তদন্তের দাবি রাখে।
​১/১১-এর পটভূমি ও নতুন সমীকরণ
১/১১-এর পরিবর্তন কেবল একটি শাসনতান্ত্রিক বদল ছিল না, বরং অনেক বিশ্লেষক একে একটি পরিবারের ওপর রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত প্রতিশোধ গ্রহণের ব্লু-প্রিন্ট হিসেবে দেখেন। তৎকালীন সময়ে সামরিক ও গোয়েন্দা দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সাথে সেই পরিস্থিতির যোগসূত্র নিয়ে যে অস্বচ্ছতা ছিল, তা আজও পুরোপুরি কাটেনি। বিশেষ করে, তৎকালীন সামরিক কর্মকর্তাদের সাথে বিতর্কিত ব্যক্তিদের যোগাযোগের যে তথ্য সামনে আসছে, তা অত্যন্ত ভয়াবহ।
​নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা ও কিছু অমীমাংসিত প্রশ্ন
আরাফাত রহমান কোকোর অকাল প্রয়াণ এবং তৎকালীন সময়ে বিরোধী দলীয় নেতা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জীবননাশের যে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অভিযোগ রয়েছে, তা নিয়ে জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, জেনারেল মাসুদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদে জিয়া পরিবারের সদস্যদের ওপর বিভিন্ন সময়ে চাপ প্রয়োগ করা হয়েছিল। প্রশ্ন উঠছে, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহার করে একটি নির্দিষ্ট পরিবারকে লক্ষ্যবস্তু করার পেছনে মাসুদের মূল উদ্দেশ্য কী ছিল? এ বিষয়ে অভিযুক্ত জেনারেল মাসুদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
​বিচারিক অনুসন্ধান ও জনদাবি
একটি জনবান্ধব রাষ্ট্রের প্রধান ভিত্তি হলো ন্যায়বিচার। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী যদি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার আড়ালে থেকে এমন ভয়াবহ অপরাধের পরিকল্পনা করে থাকে, তবে তার উপযুক্ত বিচার হওয়া সময়ের দাবি। সাংবাদিক হিসেবে আমাদের দায়িত্ব হলো ইতিহাসের দায়বদ্ধতা থেকে সত্য উদ্‌ঘাটন করা। ইতিমধ্যে দেশের সচেতন মহল এবং রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
​উপসংহার
দেশ ও জাতির বৃহত্তর স্বার্থে এই রহস্যময় ঘটনাগুলোর স্বচ্ছ তদন্ত এখন অনিবার্য। যদি ১/১১-এর নেপথ্যের কুশীলবদের বিরুদ্ধে আনা এই অভিযোগগুলোর সত্যতা প্রমাণিত হয়, তবে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার স্বার্থেই তাদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। ইতিহাস কখনো কোনো অপরাধীকে ক্ষমা করে না; বরং সময়মতো সত্য প্রকাশই ন্যায়বিচারের একমাত্র পথ।

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ