মান্দায় জুয়েলের লাগানো আমগাছ ও সরিষার ক্ষেত বিনষ্ট করে ফেলেছে প্রতিপক্ষরা।
নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশিত : ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
মান্দায় জুয়েলের লাগানো আমগাছ ও সরিষার ক্ষেত বিনষ্ট করে ফেলেছে প্রতিপক্ষরা।
বাগমারা(রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ নওগাঁর মান্দা উপজেলার মহানগর বালিশ গ্রামের যুবক মোঃ জুয়েল রানা (৪০) তিনি তার কবলা কৃতি ও দখল কৃতি মহানগর-২১২ মৌজায়, আরএস-৩৮৩ নং খতিয়ান ৮১৯ দাগে নিজস্ব জমিতে গড়ে তুলেছিলেন আমগাছের বাগান ও তার সরিষার ক্ষেত । এখান থেকে তিনি দিন বদলের স্বপ্ন দেখছিলেন। চারাগাছ গুলো কেবল সুন্দর হয়ে ফল আসার উপযুক্ত হচ্ছিল। ধীরে ধীরে এ গাছগুলো বড় হয়ে ফল নেয়ার সময়ে পৌঁছাছিলো মাত্র। এরই মধ্যে একদল শত্রু হানা দিয়েছে এই আমবাগান ও সরিষার ক্ষেতে। মুহূর্তে মধ্যে প্রায় ১৫০টি আম গাছ সরিষার ক্ষেত কেটে সাবাড় করে ফেলেছে তারা। যেন চোখের সামনে নিমিষে চুরমার হয়ে গেছে আবেদ আলীর ছেলে মোঃ জুয়েলের সেই স্বপ্ন।
রবিবার সকালে নওগাঁর মান্দা উপজেলার ভারশো ইউনিয়নের বালিশ-মহানগর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, জুয়েলের আমগাছও সরিষার ক্ষেত কর্তনের ভয়াবহ দৃশ্য। এসময় একটি চারাগাছের ডাল ধরে অঝরে কাঁদছিলেন আমগাছ ও সরিষা ক্ষেতের মালিক মোঃ জুয়েল রান।
সরেজমিনে জানা যায়, বালিশ-মহানগর গ্রামের আবেদ আলীর ছেলে মোঃ জুয়েল রানা মহানগর মৌজায় তার ক্রয়কৃত জমিতে আমগাছ ও সরিষার ক্ষেত স্থাপন করে সংসার পরিচালনা করার আয়ের উৎস দেখছিলেন। এরই একপর্যায়ে একই গ্রামের মৃত হাজী আহম্মেদ আলীর ছেলে মোঃ নেছারুল মৌলভি, মাহাবুর রহমান ও তার ছেলে আফজাল হোসেন গংরা ওই আম বাগান ও সরিষার ক্ষেতের জমিটি নিজেদের বলে দাবি করে রাতের আধারে আমগাছের চারা গুলো ও সরিষার ক্ষেত বিনষ্ট করে ফেলে বলে জুয়েল রানা ও তার সহ পার্টনার কামাল দাবি করে অভিযোগ করে এই প্রতিবেদককে বলেন, নেছারুল গংরা সন্ত্রাসী কায়দায় জোরপূর্বকভাবে জুয়েলের ক্রয়কৃত ৩৮৩ আরএস খতিয়ানে ৮১৯ দাগের জমিটি দখলের জন্য দীর্ঘদিন ধরে পাঁয়তারা করে আসছে। বিদ্যামান পরিস্থিতিতে গত শনিবার তার প্রতিপক্ষরা আকস্মিকভাবে হামলা চালিয়ে আম বাগানের যাবতীয় গাছগুলো ও সরিষার ক্ষেত গুলো কেটে ফেলেছে। এর প্রতিকার চেয়ে রোববার সন্ধ্যায় মান্দা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করবে বলে জুয়েল রানা জানায়। এদিকে, অভিযুক্ত নেছারুল ও মাহাবুবের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাদের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এ ব্যাপারে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ আবু রায়হান রাজুর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, চারাগাছ কেটেছে ও সরিষার ক্ষেত বিনষ্ট করেছে এমন কোন অভিযোগ এখনও পায়নি। যদি অভিযোগ পায় তাহলে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে চারাগাছ নিধন কারীর বিরুদ্ধে আইনগতভাবে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আপনার মতামত লিখুন :