সংগ্রাম ও কলমের যুগলবন্দী: আতিকুর রহমান রুমন ও আগামীর দিনকাল
নিজস্ব প্রতিবেদক
- প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
সংগ্রাম ও কলমের যুগলবন্দী: আতিকুর রহমান রুমন ও আগামীর দিনকাল
মোঃ সহিদুল ইসলাম সুমন
সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কেবল বিমূর্ত কোনো রাজনৈতিক স্লোগান নয়, বরং এটি একটি রাষ্ট্রের সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্বাস্থ্যের অন্যতম প্রধান নির্দেশক। কোনো দেশের গণমাধ্যম যখন শৃঙ্খলিত থাকে, তখন সেখানে তথ্যের অবাধ প্রবাহ রুদ্ধ হয়, যার সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়ে বাজার ব্যবস্থা, বিনিয়োগ এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতার ওপর। গত দেড় দশকের একরৈখিক শাসনব্যবস্থায় বাংলাদেশের গণমাধ্যম যে কাঠামোগত সংকটের মধ্য দিয়ে পার হয়েছে, তা কেবল সংবাদকর্মীদের কণ্ঠরোধ করেনি, বরং অর্থনীতির রন্ধ্রে রন্ধ্রে ‘তথ্য বিভ্রাট’ বা ইনফরমেশন অ্যাসিমেট্রি তৈরি করেছিল। এমতাবস্থায়, একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী গণমাধ্যম হিসেবে ‘দৈনিক দিনকাল’-এর পুনর্জাগরণ এবং এর সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে বিশিষ্ট সাংবাদিক ও কলামিস্ট আতিকুর রহমান রুমনের দায়িত্ব গ্রহণ কেবল একটি পেশাগত পালাবদল নয়; এটি মূলত রুদ্ধ গণতন্ত্র ও ভঙ্গুর অর্থনীতির এই সন্ধিক্ষণে একটি সাহসী পথযাত্রার সূচনা। আতিকুর রহমান রুমন এমন একজন ব্যক্তিত্ব, যিনি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম এবং সাংবাদিকতার কলমকে সমান্তরালে নিয়ে চলেছেন, যা বর্তমান বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত বিরল এবং প্রাসঙ্গিক।
একটি দেশের টেকসই উন্নয়নের জন্য যেমন দক্ষ রাজনৈতিক নেতৃত্ব প্রয়োজন, তেমনি সেই নেতৃত্বের প্রতিটি পদক্ষেপকে জনগণের আয়নায় প্রতিফলিত করার জন্য প্রয়োজন তীক্ষ্ণধী সংবাদিকতা। আতিকুর রহমান রুমন বগুড়ার পুণ্যভূমি থেকে উঠে আসা এমন এক লড়াকু সৈনিক, যাঁর ধমনিতে বহমান রয়েছে তৃণমূলের মানুষের আবেগ এবং অধিকার আদায়ের জেদ। ১৯৭৫ সালের ১৫ মে বগুড়ার গাবতলী উপজেলার পদ্মপাড়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেওয়া এই মানুষটি শৈশব থেকেই দেখেছেন এক পরিবর্তনশীল বাংলাদেশ। তাঁর পিতা মরহুম হাফিজুর রহমান ছিলেন একজন আদর্শবান সরকারি চাকরিজীবী ও সমাজসেবক, যাঁর জীবনবোধ রুমনকে শিখিয়েছে নিয়মানুবর্তিতা। আর তাঁর মা মরহুমা ফেরদৌসী বেগম, যিনি এফ. এইচ. ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দানশীলতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, তাঁর ছায়ায় রুমন গড়ে তুলেছেন নিজের মানবিক সত্তা। চার ভাই ও তিন বোনের এই বৃহৎ পরিবারে বেড়ে ওঠার ফলে তিনি শিখেছেন কীভাবে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে একটি সমাজ বা সংগঠনকে এগিয়ে নিতে হয়। তাঁর এই পারিবারিক শিক্ষা আজ তাঁকে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর মতো একটি মানবিক সংগঠনের আহ্বায়ক হিসেবে সফল নেতৃত্ব দিতে উদ্বুদ্ধ করেছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে দেখা যায়, যখন কোনো রাষ্ট্রে দীর্ঘস্থায়ী স্বৈরাচারী শাসন চেপে বসে, তখন সাধারণ মানুষের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে পড়ে। গত কয়েক বছরে বাংলাদেশে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়া পরিবারগুলোর যে চরম দুরবস্থা আমরা দেখেছি, তা কোনো সাধারণ পরিসংখ্যান দিয়ে ব্যাখ্যা করা সম্ভব নয়। এই বিপর্যস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানোর যে কঠিন ব্রত আতিকুর রহমান রুমন গ্রহণ করেছেন, তা মূলত এক ধরনের ‘সোশ্যাল ক্যাপিটাল’ বা সামাজিক পুঁজি গঠনের প্রক্রিয়া। ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর মাধ্যমে তিনি যেভাবে তৃণমূলের নির্যাতিত কর্মীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তা কেবল মানবিক সহায়তা নয়, বরং একটি দলের সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত করার এক অত্যন্ত কার্যকর অর্থনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক কৌশল। যখন রাষ্ট্রযন্ত্র কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে পদ্ধতিগতভাবে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে দেওয়ার চেষ্টা করে, তখন রুমনের মতো মানুষদের ব্যক্তিগত ও সাংগঠনিক উদ্যোগ সেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর টিকে থাকার রসদ জোগায়। তাঁর এই মানবিক দৃষ্টিভঙ্গিই তাঁকে কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নয়, বরং গণমানুষের আস্থার প্রতীকে পরিণত করেছে।
শিক্ষাজীবনের শুরু থেকেই রুমন ছিলেন প্রখর মেধার অধিকারী। উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী সরকারি শাহ সুলতান কলেজে পড়ার সময় থেকেই তিনি ছাত্র রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। তবে তাঁর রাজনীতির ধরন ছিল অন্যদের চেয়ে আলাদা; তিনি কলম এবং রাজপথকে এক সুতোয় গেঁথেছিলেন। ঠিক সেই সময় থেকেই সাংবাদিকতার হাতেখড়ি হওয়া আতিকুর রহমান রুমন জানতেন যে, সত্য প্রকাশই হলো বড় ইবাদত। সাংবাদিকতা তাঁর কাছে কেবল জীবিকা নয়, বরং এটি ছিল অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এক শাণিত অস্ত্র। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি বিএনপির প্রতিটি সংকটে, প্রতিটি রাজপথের আন্দোলনে নিজের উপস্থিতিকে অনিবার্য করে তুলেছিলেন। বিশেষ করে ফ্যাসিস্ট শাসনামলে যখন মুক্তমনা মানুষরা কথা বলতে ভয় পেত, তখন রুমনের কলম ছিল সোচ্চার। তিনি জানতেন, একটি স্বাধীন দেশের অর্থনীতি তখনই চাঙ্গা হয়, যখন সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে তাদের অভাব-অভিযোগের কথা বলতে পারে। তাঁর এই সুদীর্ঘ লড়াই তাঁকে আজ দৈনিক দিনকাল-এর মতো একটি ঐতিহ্যবাহী পত্রিকার হাল ধরার যোগ্য করে তুলেছে।
দৈনিক দিনকাল-এর সম্পাদকীয় ও প্রকাশনা বিভাগে আতিকুর রহমান রুমনের অন্তর্ভুক্তি এই পত্রিকার জন্য এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। আমরা জানি, গত কয়েক বছর ধরে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে দিনকাল নানা চড়াই-উতরাইয়ের মধ্য দিয়ে গেছে। একটি পত্রিকার অর্থনৈতিক বুনিয়াদ তখনই ধ্বংস হয়, যখন বিজ্ঞাপন ও ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেলে সরকারি হস্তক্ষেপ তৈরি হয়। রুমন এখন সেই ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে পত্রিকাকে একটি টেকসই ব্যবসায়িক মডেলে নিয়ে যাওয়ার চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছেন। একজন দূরদর্শী চিন্তক হিসেবে তিনি বোঝেন যে, সংবাদপত্রের টিকে থাকার জন্য প্রয়োজন তথ্যের নির্ভুলতা এবং নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ। তাঁর নেতৃত্বে দিনকাল কেবল একটি রাজনৈতিক মুখপত্র হিসেবে নয়, বরং একটি রুচিশীল ও বিশ্লেষণধর্মী জাতীয় দৈনিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার শক্তি রাখে। তিনি তাঁর দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে অর্জিত অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে পত্রিকার অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনায় যে গতিশীলতা আনার পরিকল্পনা করেছেন, তা আমাদের মুদ্রণ শিল্পে এক নতুন প্রাণসঞ্চার করবে।
আতিকুর রহমান রুমনের বিশ্ববীক্ষা অত্যন্ত সমৃদ্ধ, যা তাঁর দীর্ঘ বিদেশ সফরগুলোর মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে। তিনি যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড, স্কটল্যান্ড, ওয়েলস, তুরস্ক, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, বাহরাইন, চীন, সিঙ্গাপুর, হংকং, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, থাইল্যান্ড, ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানসহ বহু দেশ সফর করেছেন। একজন সাংবাদিকের জন্য এই ধরণের আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এটি তাঁকে বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতি এবং বিশ্ব অর্থনীতি পরিবর্তনের ধারা বুঝতে সাহায্য করে। বিশেষ করে তুরস্ক বা চীনের মতো দেশগুলোর অর্থনৈতিক উত্থান এবং যুক্তরাজ্যের মতো দেশে সংবাদপত্রের প্রাতিষ্ঠানিক স্বাধীনতা তিনি খুব কাছ থেকে প্রত্যক্ষ করেছেন। এই অভিজ্ঞতার আলোকেই তিনি বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে একটি আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার স্বপ্ন দেখেন। তাঁর এই বিশ্বভ্রমণ কেবল ভ্রমণের জন্যই ছিল না, বরং প্রতিটি সফর থেকে তিনি কুড়িয়ে নিয়েছেন নতুন নতুন জ্ঞান, যা আজ তাঁর সাংবাদিকতা ও রাজনৈতিক দর্শনকে ঋদ্ধ করেছে।
বাংলাদেশের বর্তমান অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে যেখানে ব্যাংকিং খাত থেকে শুরু করে শেয়ার বাজার পর্যন্ত এক ধরণের অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে, সেখানে একজন সচেতন সম্পাদকের ভূমিকা অনস্বীকার্য। আতিকুর রহমান রুমন তাঁর কলাম ও লেখনীর মাধ্যমে বারবার তুলে ধরেছেন কীভাবে দেশের সম্পদ পাচার হচ্ছে এবং কীভাবে সাধারণ মানুষের পকেট কেটে গুটিকয়েক গোষ্ঠী লাভবান হচ্ছে। তিনি যখন দিনকাল-এর সম্পাদকীয় নীতি নির্ধারণ করেন, তখন সেখানে জনগণের স্বার্থই প্রাধান্য পায়। তাঁর এই আপোষহীন মনোভাবই তাঁকে শাসকগোষ্ঠীর চক্ষুশূল করেছিল, কিন্তু তিনি দমে যাননি। তিনি বিশ্বাস করেন, একটি দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি তখনই সার্থক হয়, যখন সেই প্রবৃদ্ধির সুফল প্রতিটি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়। এই ধ্রুব সত্যটি প্রকাশের জন্য তিনি তাঁর কলমকে সবসময় প্রস্তুত রেখেছেন। তাঁর নেতৃত্বে দিনকাল আগামী দিনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনর্গঠনের এক শক্তিশালী পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করবে বলে আশা করা যায়।
আতিকুর রহমান রুমন কেবল একজন ব্যক্তি নন, বরং তিনি একাধারে মানবিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের এক অনন্য সমন্বয়কারী। বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোক্তা হিসেবে তিনি তরুণ প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম ও নৈতিকতা ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ করে যাচ্ছেন। বগুড়ার মাটি ও মানুষের প্রতি তাঁর যে গভীর টান, তা তাঁকে বারবার সাধারণ মানুষের কাছে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। রাজনৈতিক নেতৃত্বের অন্যতম প্রধান গুণ হলো মানুষের চোখের ভাষা বুঝতে পারা, আর রুমন সেই বিদ্যায় পারদর্শী। ফ্যাসিস্ট শাসনামলে তাঁর ব্যক্তিগত উদ্যোগে অসংখ্য মানুষের জীবনযাত্রায় যে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা ইতিহাসের পাতায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। যখন সমাজ ও রাষ্ট্রে অন্ধকার নেমে আসে, তখন রুমনের মতো নিবেদিতপ্রাণ মানুষেরাই মশাল হাতে পথ দেখান। তাঁর এই জীবনব্যাপী সংগ্রাম এখন এক নতুন মাত্রা পেয়েছে দৈনিক দিনকালের মাধ্যমে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নেতৃত্বে যখন এক নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা হচ্ছে, তখন আতিকুর রহমান রুমনের মতো সৎ ও নিষ্ঠাবান পেশাদারদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বিএনপি পরিবারের প্রতিটি কর্মীর আত্মার অংশ, কারণ তিনি ক্ষমতার মোহে নয়, বরং আদর্শের টানে রাজনীতি করেন। সাংবাদিকতার মহান পেশাকে তিনি কালিমামুক্ত রাখতে চান এবং তাঁর সেই সংকল্পই দিনকালকে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। সাংবাদিকতা ও রাজনীতির এই মিশ্রধারাকে তিনি যেভাবে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনা করছেন, তা বর্তমান প্রজন্মের কাছে এক শিক্ষণীয় বিষয়। আসলে বাংলাদেশের গণমাধ্যম জগতের সংকট কাটানোর জন্য এমন একজন মানুষের প্রয়োজন ছিল, যিনি একই সাথে রাজপথের তপ্ত রোদে পুড়েছেন এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে গভীর বিশ্লেষণেও সক্ষম। রুমন ঠিক তেমনই এক বিরল প্রতিভা।
পরিশেষে বলা যায়, আতিকুর রহমান রুমনের দৈনিক দিনকাল-এর সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে এই যাত্রা কেবল তাঁর ব্যক্তিগত অর্জন নয়, এটি সারা দেশের মুক্তিকামী মানুষ এবং সংবাদকর্মীদের জন্য এক আশার প্রদীপ। তাঁর নেতৃত্বে দিনকাল হয়ে উঠবে নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর। আমরা বিশ্বাস করি, তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে পত্রিকাটি কেবল সংবাদ পরিবেশনই করবে না, বরং সমাজ পরিবর্তনে এক অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে। শহীদ জিয়ার দর্শন আর তারেক রহমানের আধুনিক বাংলাদেশের রূপকল্পকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার যে মহান দায়িত্ব তিনি নিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে তিনি সফল হবেন। আতিকুর রহমান রুমনের কর্মময় ও পেশাগত জীবনের এই বর্ণাঢ্য অধ্যায় আগামী দিনে বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত করার লড়াইয়ে এক অবিস্মরণীয় ভূমিকা রাখবে। তাঁর সৃজনশীলতা, সাহসিকতা এবং মানবিকতা এদেশের সাংবাদিকতা ও রাজনীতির ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে টিকে থাকবে।
লেখক : অর্থনীতি বিশ্লেষক, কলামিস্ট ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক গবেষক।
Email : msislam.sumon@gmail.com
আপনার মতামত লিখুন :