ad728

শহীদ জিয়ার দর্শনে তারেক রহমানের অর্থনৈতিক রূপকল্প: সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের অভিযাত্রা


FavIcon
নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

ছবির ক্যাপশন: ad728

শহীদ জিয়ার দর্শনে তারেক রহমানের অর্থনৈতিক রূপকল্প: সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের অভিযাত্রা
মো. সহিদুল ইসলাম সুমন
 
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক মাহেন্দ্রক্ষণে দাঁড়িয়ে আজ যখন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নেতা ও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে জনাব তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন, তখন এটি কেবল একটি ক্ষমতার পালাবদল নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামোগত পরিবর্তনের এক মহানির্ভরযোগ্য অঙ্গীকার। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সূচিত বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং মুক্তবাজার অর্থনীতির সেই কালজয়ী দর্শনকে ধারণ করে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তিনি যে নতুন পথরেখা অঙ্কন করেছেন, তা বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রতিটি রন্ধ্রে এক নতুন প্রাণস্পন্দন জাগিয়ে তুলছে। বিগত দেড় দশকের শাসনতান্ত্রিক ভঙ্গুরতা, প্রাতিষ্ঠানিক অবক্ষয় এবং আর্থিক খাতের যে রক্তক্ষরণ আমরা প্রত্যক্ষ করেছি, তা থেকে উত্তরণের জন্য কেবল রাজনৈতিক সদিচ্ছা যথেষ্ট ছিল না; প্রয়োজন ছিল একটি সুদূরপ্রসারী অর্থনৈতিক দর্শনের, যা জনাব তারেক রহমান অত্যন্ত সুচারুভাবে তার ‘৩১ দফা’ সংস্কার প্রস্তাবের মাধ্যমে জাতির সামনে উপস্থাপন করেছেন। এই নতুন নেতৃত্বের অধীনে বাংলাদেশ কেবল একটি রাষ্ট্র হিসেবে নয়, বরং দক্ষিণ এশিয়ার এক প্রভাবশালী অর্থনৈতিক শক্তিকেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার সংকল্প গ্রহণ করেছে। শহীদ জিয়ার সেই ঐতিহাসিক ১৯ দফার আধুনিক সংস্করণ হিসেবে তারেক রহমানের এই নেতৃত্বের অভিষেক বাংলাদেশকে এক দীর্ঘমেয়াদী টেকসই উন্নয়নের মহাসড়কে তুলে দিয়েছে, যেখানে প্রবৃদ্ধির সুফল কেবল গুটিকয়েক সুবিধাভোগী শ্রেণীর হাতে কুক্ষিগত থাকবে না, বরং তা ছড়িয়ে পড়বে টেকসইভাবে তৃণমূলের সাধারণ মানুষের আঙিনায়।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে এই নতুন সরকারের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ এবং একই সাথে অগ্রাধিকার হলো ভেঙে পড়া ব্যাংকিং খাত এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুনরায় সচল করা। আমরা দেখেছি কীভাবে গত এক দশকে খেলাপি ঋণের সংস্কৃতি এবং অর্থপাচারের মহোৎসব দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিকে খাদের কিনারায় নিয়ে গিয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে যে বিশাল অংকের মন্দ ঋণের পাহাড় আমরা দেখি, তা আসলে ভুল নীতি এবং রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ে বেড়ে ওঠা এক বিকৃত অর্থব্যবস্থার ফল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমেই যে সাহসী পদক্ষেপটি নিতে যাচ্ছেন, তা হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা। এটি কেবল কাগুজে কোনো স্বাধীনতা নয়, বরং মুদ্রানীতি নির্ধারণ এবং ব্যাংকগুলোর ওপর কঠোর তদারকি নিশ্চিত করার এক প্রায়োগিক ক্ষমতা। মুদ্রাস্ফীতির করাল গ্রাস থেকে সাধারণ মানুষকে বাঁচাতে তিনি যে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি এবং একই সাথে উৎপাদনমুখী খাতের জন্য বিশেষ প্রণোদনার সমন্বয় ঘটাতে যাচ্ছেন তা অর্থনীতির পাঠ্যবইয়ে আলোচিত ‘ব্যালেন্সড গ্রোথ থিওরি’র এক বাস্তব প্রতিফলন। বাজার সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে সরবরাহ চেইনকে স্বচ্ছ করার মাধ্যমে তিনি প্রমাণ করবেন যে, জনগণের সরকার যখন ক্ষমতায় থাকে, তখন দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ কোনো অলৌকিক বিষয় নয়, বরং তা সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং জবাবদিহিতার ফসল।
দেশের শিল্পায়ন এবং রপ্তানি খাতের বৈচিত্র্যকরণে তারেক রহমানের দৃষ্টিভঙ্গি অত্যন্ত আধুনিক এবং সময়োপযোগী। কেবল তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভর করে একটি দেশ দীর্ঘকাল তার বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে নিরাপদ রাখতে পারে না। এই চরম সত্যটি অনুধাবন করে তিনি ব্লু-ইকোনমি, তথ্যপ্রযুক্তি এবং হালকা প্রকৌশল শিল্পের বিকাশে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের সূচনা করবেন। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের এই যুগে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে তিনি যে গুরুত্বারোপ করেছেন, তা বাংলাদেশের জনমিতিক লভ্যাংশ বা ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’কে প্রকৃত সম্পদে রূপান্তর করবে। কারিগরি শিক্ষার প্রসার এবং উচ্চশিক্ষার সাথে শিল্পের যোগসূত্র স্থাপনের মাধ্যমে তিনি বেকারত্ব হ্রাসের এক নতুন মডেল উপস্থাপন করেছেন। শহীদ জিয়া যেমন মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজার উন্মোচনের মাধ্যমে রেমিট্যান্স অর্থনীতির ভিত্তি গড়েছিলেন, তারেক রহমান তেমনি ফ্রিল্যান্সিং এবং উচ্চমূল্যের সেবা রপ্তানির মাধ্যমে সেই ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করছেন। তার নেতৃত্বে ফরেন ডাইরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট বা সরাসরি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণে যে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস এবং আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে, তা বিশ্বজুড়ে বিনিয়োগকারীদের মনে নতুন করে আস্থা ফিরিয়ে আনবে। বিশেষ করে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং নীতির ধারাবাহিকতা বজায় রাখার যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিয়েছেন, তা যেকোনো বিদেশি বিনিয়োগের পূর্বশর্ত।
কৃষি খাতের আধুনিকায়ন এবং গ্রামীণ অর্থনীতির পুনর্জাগরণে তারেক রহমানের পরিকল্পনা শহীদ জিয়ার সেই ‘খাল কাটা কর্মসূচি’র এক আধুনিক ডিজিটাল রূপান্তর। তিনি বোঝেন যে, বাংলাদেশের প্রাণ এখনো পল্লী অঞ্চলে স্পন্দিত হয়। তাই কৃষিভিত্তিক শিল্পের প্রসার এবং কৃষকের পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে তিনি আধুনিক কোল্ড স্টোরেজ চেইন এবং ডিজিটাল বিপণন ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়েছেন। সার, বীজ এবং বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী সেচ ব্যবস্থার জন্য ভর্তুকি কেবল একটি অনুদান নয়, বরং এটি জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এক কৌশলগত বিনিয়োগ। কৃষি গবেষণায় বরাদ্দ বৃদ্ধি এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সহনশীল শস্য উৎপাদনের যে উদ্যোগ নেওয়া হবে, তা বাংলাদেশের কৃষিকে বৈশ্বিক মানদণ্ডে উন্নীত করবে। গ্রাম সরকার ব্যবস্থার নতুন আঙ্গিক এবং স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করার মাধ্যমে তিনি উন্নয়নকে বিকেন্দ্রীকরণ করেছেন, যার ফলে রাজধানীমুখী জনস্রোত হ্রাস পাবে এবং প্রতিটি অঞ্চল তার নিজস্ব সম্ভাবনার ভিত্তিতে অর্থনৈতিকভাবে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠবে। এটি কেবল একটি প্রশাসনিক সংস্কার নয়, বরং এটি এক গভীর সমাজতাত্ত্বিক এবং অর্থনৈতিক রূপান্তর, যা বৈষম্য নিরসনে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অবকাঠামো উন্নয়নে তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার মেগা প্রজেক্টের নামে মেগা দুর্নীতির পরিবর্তে উপযোগিতাভিত্তিক এবং টেকসই অবকাঠামো নির্মাণে মনোনিবেশ করবে। বিদ্যুৎ খাতের দায়মুক্তি আইনের মতো বৈষম্যমূলক নীতি বাতিল করে তিনি যে স্বচ্ছ প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থা প্রবর্তন করবেন, তা দীর্ঘমেয়াদে শিল্পোৎপাদন খরচ কমিয়ে আনবে। রেন্টাল এবং কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্টের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানি এবং দীর্ঘমেয়াদী কয়লাভিত্তিক আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয়ে একটি জ্বালানি মিশ্রণ (Energy Mix) তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। অবকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে কেবল সড়ক ও সেতু নয়, বরং রেলওয়ে এবং নৌপথের আধুনিকায়নে তিনি যে গুরুত্ব দিয়েছেন, তা দেশের লজিস্টিক খরচ বহুগুণ কমিয়ে আনবে। আঞ্চলিক কানেক্টিভিটি বা সংযোগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে একটি ট্রানজিট এবং ট্রান্সশিপমেন্ট হাব হিসেবে গড়ে তোলার যে লক্ষ্য তিনি স্থির করেছেন, তা জাতীয় আয়ের নতুন উৎস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। তারেক রহমানের এই কৌশলী পদক্ষেপে বাংলাদেশ হবে দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগকারী এক অনন্য সেতু।
সুশাসন এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করাকে তারেক রহমান অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচনা করেন। তিনি বিশ্বাস করেন, যেখানে বিচার বিভাগ স্বাধীন নয় এবং আমলাতন্ত্রে জবাবদিহিতা নেই, সেখানে কোনো অর্থনৈতিক পরিকল্পনা সফল হতে পারে না। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কেবল মৌখিক ঘোষণা নয়, বরং তা প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের মাধ্যমে কার্যকর করা হচ্ছে। পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বা সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ই-টেন্ডারিং ব্যবস্থাকে আরও নিশ্ছিদ্র করা হবে। এছাড়া কর আহরণ ব্যবস্থায় সংস্কার এনে কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধির যে লক্ষ্যমাত্রা তিনি নির্ধারণ করবেন, তা উন্নয়ন বাজেটে বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনবে। কর ফাঁকি রোধ এবং কালো টাকা সাদা করার সুযোগ বন্ধের মাধ্যমে তিনি একটি ন্যায়ভিত্তিক কর ব্যবস্থা প্রবর্তনে কাজ করবেন। যখন সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীরা দেখেন যে তাদের দেওয়া করের প্রতিটি পয়সা রাষ্ট্রের উন্নয়নে এবং জনকল্যাণে ব্যয় হচ্ছে, তখন কর প্রদানের সংস্কৃতি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিকশিত হয়। এই আস্থার পরিবেশ তৈরি করাই হলো তারেক রহমানের নেতৃত্বের অন্যতম সার্থকতা।
পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে তারেক রহমান ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে বৈরিতা নয়’—এই নীতির ভিত্তিতে অর্থনৈতিক কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দিবেন। বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে সমুন্নত রেখে তিনি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সাথে এমনভাবে সম্পর্ক উন্নয়ন করছেন, যা দেশের বাণিজ্য সুবিধা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। বিশেষ করে তিস্তা পানি বণ্টন চুক্তি এবং অন্যান্য অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে তার দৃঢ় অবস্থান জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতীক। তিনি বিশ্ববাসীকে পরিষ্কার বার্তা দিয়েছেন যে, বাংলাদেশ এখন আর সাহায্যপ্রার্থী দেশ নয়, বরং একটি আত্মমর্যাদাশীল অংশীদার। প্রবাসীদের ভোটাধিকার প্রদান এবং রেমিট্যান্স প্রেরণে বিদ্যমান বাধাগুলো অপসারণের মাধ্যমে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করেছেন। তাদের পাঠানো অর্থ যেন কেবল ভোগে ব্যয় না হয়ে বিনিয়োগে রূপান্তর হয়, সেজন্য তিনি বিশেষ বিনিয়োগ বন্ড এবং সুরক্ষা স্কিম চালু করেছেন। এটি একদিকে যেমন রিজার্ভকে শক্তিশালী করছে, অন্যদিকে দেশের অভ্যন্তরে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হচ্ছে।
তারেক রহমানের আগামীর অগ্রযাত্রা কেবল একটি রাজনৈতিক দলের জয় নয়, এটি শহীদ জিয়ার সেই হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম। আমরা যদি ১৯৭৫ পরবর্তী সেই সময়ের দিকে তাকাই, যখন দেশ ছিল এক চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে, তখন জিয়াউর রহমান যেমন ছাই থেকে ফিনিক্স পাখির মতো বাংলাদেশকে জাগিয়ে তুলেছিলেন, তারেক রহমানও আজ এক ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দায়িত্ব নিয়েছেন। তার নেতৃত্বে বাংলাদেশ যে সমৃদ্ধির পথে হাঁটবে, সেখানে সামাজিক ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা এবং সাম্য হবে মূল ভিত্তি। তিনি তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখেন, তা হলো একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজ যেখানে উদ্ভাবন এবং সৃজনশীলতা হবে অগ্রগতির মাপকাঠি। শহীদ জিয়ার ‘বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ’ আজ কেবল একটি রাজনৈতিক স্লোগান নয়, বরং এটি অর্থনৈতিক মুক্তির এক অনন্য দর্শন। তারেক রহমান সেই দর্শনেরই সার্থক উত্তরসূরি, যার হাত ধরে বাংলাদেশ একদিন উন্নত বিশ্বের কাতারে নিজের স্থান করে নেবে। এই যাত্রায় প্রতিকূলতা আসবে, কিন্তু দেশের আপামর জনসাধারণের যে অকুণ্ঠ সমর্থন ও ভালোবাসা তিনি পেয়েছেন, তাই হবে তার সকল কর্মতৎপরতার মূল শক্তি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে, তারেক রহমানের হাত ধরে শহীদ জিয়ার স্বপ্নের সেই সমৃদ্ধ সোনার বাংলা আজ আর স্বপ্ন নয়, বরং এক দৃশ্যমান বাস্তবতা।
লেখক : অর্থনীতি বিশ্লেষক, কলামিস্ট ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক গবেষক।
Email : msislam.sumon@gmail.com

আলোচিত শীর্ষ ১০ সংবাদ